গেরস্থালি

আঙুর ও টক
হাজারি চক্রবর্তী (জুনিয়র)

বারো টাকা আছে? পঞ্চাশ গ্রাম কালো আঙুর কিনে নাও। যে কটা হয় হোক। বাড়ি ফিরে, স্নান করে, কড়াইতে তেল চাপাও। ধোঁয়া উঠুক। আঁচ কমিয়ে শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দাও তো। অপেক্ষা করো। লঙ্কাপোড়া গন্ধ পাচ্ছ? এবার চার পাঁচটা কালো সর্ষে ফোড়ন দাও, আঁচ কমানো অবস্থায়। চটপট করে সর্ষে ফোটার শব্দ পেলে, বীজ-বাদ-দেওয়া আঙুরগুলো তেলে ছেড়ে দাও। নুন দাও। সেদ্ধ হোক, সেই ফাঁকে চা করে নাও। চায়ে চুমুক দিতে দিতে কাঁচা জল ঢেলে দাও কড়াইতে। জল ফুটুক, আঙুর গলে রস বেরোক, তুমি চা খাও। তাড়া করতে নেই, জানো তো?
          যদি আঠা আঠা ঝোল চাও, আতপ চালের গুঁড়ো দিতে পারো, আধ চামচ। দিলে পরে ভালো করে ফোটাতে হবে। সময়
বেশি লাগবে। আর চায়ের পরে বিড়ি খেতে হবে।
          রস ঘন হলে, চেখে দেখে প্রয়োজন বুঝে চিনি দিও। আঁচ বন্ধ করে, কড়াই ঠান্ডা হলে, একটা পাতি লেবুর রস দিও। ঝোলের রঙ হবে, কালমেঘের বড়ির মতো কালো।
          এবার টকে একবার চুমুক দিয়ে দেখোই না!
          শ্রীশমিতা চক্রবর্তী বললেন, আর একটা বিড়ি ধরান ঠাকুরমশাই। রস আর একটু ঘন হোক, আঙুরগুলো ফুলে উঠুক, কেমন?

জয়গুরু।।