হাজারি চক্রবর্তী (জুনিয়র)
কাঁচকলা ডুমো ডুমো করে কেটে খোসাটা ফেলে দাও নাকি? অমন চিন্তাও করতে নেই। খোসাগুলো কুচিকুচি করে কাটো। কালো জিরে দাও। রসুনের কটা কোয়া ফেলে দাও। দু-একটা শুকনো লঙ্কা। দু-চার দানা চিনি, ব্যাস। বেশ করে বেটে নাও। শিলে, নইলে মিক্সিতে।
কড়াইতে সর্ষের তেল দাও। গরম হলে, আঁচ কমিয়ে খোসাবাটা নেড়েচেড়ে নাও। মিনিট পাঁচেক। হল? গরম গরম ভাতে মেখে খাও দিকি! খেলে শরীরে রক্ত বাড়ে, জানো?
শ্রীসর্বাণী চট্টোপাধ্যায় মনে করিয়ে দিলেন, পটলের খোসা, ফুলকপির পাতাও এইভাবে করা যায়। খেতে দারুণ লাগে।
শ্রীকাকলি পণ্ডা বললেন, এইভাবে তো ঝিঙের খোসাও বাটা খায়! আপনি খাননি?
জয়গুরু ।।