
ফটো: Rhododendrites
কয়েক পঙ্ক্তি সুরা
সুব্রত সরকার
এই মর-পৃথিবীর মৃত্তিকায় তোমাদের পদচিহ্ন
দেখে খুব মায়া হয়েছিল, দয়ার
পতাকা উড়ছে গগনতলে, তাকে দীর্ঘশ্বাস দিই, মৃত্যু
যখন নির্বাক প্রজাপতির মতো কপালে
এসে বসল তাকে বলাই হয়নি একটু অপেক্ষা তো করতেই
পারতে, চন্দ্রাহত মেঘ অপার কুয়াশা
কুড়ায়, মদের ভিতর তৃষ্ণা লুকিয়ে থাকে, স্মৃতি
তুমি যতই চেষ্টা করো না কিছুতেই আর মিথ্যা
বলতে পারব না, অরব তীর্থজল
এবার তবে একটা চুমু দিয়ে ফিরে যাও অনন্তে
নদী, বালি, পর্বত, জ্যোৎস্নায়, শুধু
একাকী মানুষের রেখে যাওয়া অপার সৌন্দর্যে।
শরীরে শরীর ডুবিয়ে দিলে তো সেই শরীরকেই খুঁজে পাবে
মন সেখানে কোথায়? পিরিতির নাম
বনশ্যামপুর, টাকা দেখলে
মৃৎপাত্রে রাখা ট্যারা দেবীও হেসে ওঠেন, ভৈরব ও শিষ্য একত্রে
শব ভক্ষণ করে, তামার বুলেট, পায়খানার
সিস্টর্নের ভেতর নুন, সোনার অলংকার নিঃশব্দে পা ডুবিয়ে
আছে, অনাহার, কীসের সমাধি?
আমাকে বলেনি কেউ চুরি করো গঙ্গাজল, মিথ্যা, লোহিত
পার্বণ, উদ্ভিদের শঙ্খ বাজে, ভোরের
হাঁড়ির ভিতরে গান, মাখন, চুল, দয়ার মতো দেখতে একজোড়া
সাদা শাঁখা ও কামগন্ধহীন, কয়েক পঙ্ক্তি সুরা, শুধু
মুণ্ডটি লুট হয়ে গেছে।
দেখা হয়েছে: ০ বার